অক্টোবর ১৮, ২০২৩
বাস্তবঃ সকালবেলা সাড়ে ১০ টায় উঠলাম। এরমধ্যে জিয়ন উঠে গেসে, স্নান করসে। আমি উঠে বাথরুমে ঢুকে প্যান্টি খুলে কমোডে বসলাম। প্যান্টি খুলতেই প্যাড, টিস্যু ভর্তি রক্ত। শুধু প্যাড দিলে ঘুমের মধ্যে লিক করবে তাই একটা কিচেন টিস্যু লম্বালম্বি ভাজ করে প্যাডের উপরে দিয়ে ভোদার আর পাছার ফাড়িতে টিস্যুর কোনাগুলি হাল্কা ঢুকিয়ে দেই। এতে পুরাপুরি কনফার্ম হয় যে প্যাডের চারপাশ থেকে ফ্লো লিক করবে না। হুম লিক করে নাই। এখনও ওই প্যান্টি পরে আছি। এখন রাত ৯ঃ১২। টিস্যু ফেলে দিলাম। ট্র্যাশক্যানে, কমোডের পাশেই রাখা। পা দিয়ে চাপ দিলে ঢাকনা খুলে। নতুন বাসায় এসে এটা কিনলাম, আগেরটা ছিল মুখ খোলা। পিরিয়ডের সময় প্যাড খুলে ফেলি, বিশ্রী গন্ধ হয়, ঢাকনাই বেটার। প্যান্টির ভিতরের এই রক্তাক্ত প্রান্তর দেখে আর গোসল ছাড়া বাথরুম থেকে বেরোতে ইচ্ছা করল না। জামা খুলতে খুলতে জিয়নকে বললাম গামছাটা দিয়ে যেতে। ধারেকাছেই ছিল পায়ের শব্দে বুঝতেসিলাম। গামছা রেখে জানিয়ে গেল। শব্দ শুনতে উঁকি দিলাম আর কি জানি একটা গান গুনগুন করতে করতে হাসি দিলাম। জিয়ন হাসি বিনিময় করল। কল ছেড়ে দিলাম। আজকে জল জমিয়ে গোসল করব। জল পরতে পরতে ...