জুন ২৮ , ২০২৪
#ঈশ্বর অন্বেষণ ও প্রাত্যহিক জীবন বুঝ হবার পর যাকে ঈশ্বর বলে মানসিলাম সে হল সূর্যদেবতা। সূর্যের আলো সবসময়ই সুদিং লাগত। ছোটবেলায় ঠান্ডার সিজন কেমন গেসে। কিন্তু এই বয়সে এসে বুঝি সূর্য মামা আমাদের কতভাবে সাপোর্ট দেয়। গা গিটে গিটে ব্যথা থাকলে সূর্যতে গিয়া দাড়াই, হাড্ডিরা আনন্দিত হয়। আমেরিকায় আসলাম আগস্ট মাসে, টেক্সাসে। গরমের মধ্যে গরম দেশে কাটল যেমন তেমন। কিন্তু প্রথম উইন্টারে সেধে পরে আইডাহোতে যাওয়া আর বরফের স্তুপে হেটে বেড়াতে গিয়ে গাটে গাটে টের পেলাম কত ঠান্ডায় কেমন হাড্ডি কাপে। খুব ডিপ্রেশনে পরে গেলাম, উইন্টার স্যাডনেস এটা বুঝতেও মেলা সময় লাগছে। সূর্যকে তখন অনেক মিস করি আর সূর্যের কথা ভেবে কান্না করি। মাত্র জানলামঃ *এন্টার্কটিকা দক্ষিণে। আমার ভাবনায় ছিল উত্তরে, রাশিয়ার উপরে। উত্তরে আর্কটিক ( বরফ), দক্ষিণে এন্টার্কটিক ( বরফ)। *এন্টার্কটিকার সর্বনিকটের লোকেশন একটা দ্বীপ। falkland দ্বীপ। # তেমু (শপিং ওয়েবসাইট) কতক্ষণ পরপর আমাকে সারপ্রাইজ নোটিফিকেশন দেয়, আর বলে আমি নাকি আজকের দিনের ভাগ্যবতী। শুনতে ভালো লাগে। (তাই নোটিফিকেশন অপশন অফ করি নাই।) # ঈশানা (জেনিথ...