পোস্টগুলি

অক্টোবর, ২০২৪ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

রোম্যান্টিক বইঃ ১

 একটা গল্প- খারুস বুড়ো-শীতল গ্রাম।  চরিত্রটার-  রাফ চাইল্ডহুড- কাজিনের সাথে প্রেম- বিচ্ছেদ-সন্ধি বি + ছেদ। বিচ্ছেদ যতটা পোড়ায়- আমার জীবনের উপর অনেক প্রভাব বিস্তারকারী এক গল্প। প্রেমিকের ছেড়ে যাওয়া অথবা প্রেমিককে ছেড়ে আসার পরে এই যে গ্রিভেন্স- দুইজনে মিলে ওউন করতাম তার কিছু ফেলে দেই ( ২০০৮ এ চুয়েটের লেডিস হলের ছাদে ছুড়ে ফেলা ডায়েরি)। কিছু পুড়িয়ে ফেলি। কিছু পুতে ফেলি। সেই ২০০৮ এর সময়ের দগদগে ব্যথা- যা কখনোই ভাবিনি নিভবে- নিভে গেল অজান্তেই।  আবার নতুন ব্যথা- আনন্দ- ব্যথা। এরই নাম বুঝি বেচে থাকা। পাস্ট কোন ট্রমা কোন ছাই-চাপা আগুনের ন্যায়-জলে উঠে, আবার নিভে নিভে- জ্বলে উঠে।  গল্পটা সিগনিফিক্যান্ট এই কারণে যে- সেই কপোত-কপোতি যেই পোশাকগুলোতে একে অন্যকে পরিবেশন করেছিল, এই বিচ্ছেদ পরিণতিতে সেই জামাকাপড়গুলো মেয়েটা আগুনে পুড়িয়ে ফেলল। ধ্বংসের মধ্য দিয়ে শেষ হওয়া দরকার। হায় প্রেম! বিচ্ছেদ অথবা মিলন। পরিণতি সবসময়েই কষ্টের, নাকি! বইটার নাম ওয়েদারিং হাইটস। 

পিএইচডি সিরিজঃ ম্যাটল্যাব

জীবনে প্রথমবারের মতন ম্যাটল্যাব প্রোগ্রামিং ইউজ করলাম। ম্যাটল্যাবের নাম শুনি সেই ২০১১ তে? রায়হান আবীর বলতেসিল, কার্জনের বাসস্ট্যাণ্ডে দাড়ায়েঃ ম্যাটল্যাবটা শিখে ফেল, অনেক কাজে লাগবে। এরপর এতগুলা বছরের পরে হঠাত এমন একটা প্রবলেম এসে  দাড়ালো -  এক পিএইচডি স্টুডেন্টের স্ট্যাটের কাজে হেল্প করা।  ধারাবাহিকভাবে,  আমি রিসার্চ এসিস্ট্যান্ট, আমার প্রফেসর/সুপারভাইজার ডঃ চ্যাড ক্রস। ডঃ ক্রসের অন্যতম একটা প্রজেক্ট (এনআইএইচ গ্র্যান্ট) আলজেইমার রিসার্চের রিসার্চ এসিস্ট্যান্ট আমি। আমার সুপারভাইজার একই রিসার্চ ডাটার আন্ডারে অনেকগুলা প্রজেক্টে স্ট্যাটিস্টিক্যাল কনসাল্টেন্টের কাজ করে। আমাকে সে তার সব পরিসংখ্যানের কাজে আস্তে আস্তে ইনক্লুড করে/ করতেসে। আমরা (মূলত সে) এসব নিয়ে আলাপ করি, সে একটা পথ দেখায়, একটা সমস্যার সমাধান - আমি তার ডিরেকশনে সমাধানগুলাকে আইডিয়া থেকে প্রোগ্রামে জেনারেট করি। শুরুর দিকে ডঃ ক্রস সব হাতে কলমে করে দেখাইসে- গত এক বছর শুধুই এসপিএসএস দিয়ে কাজ করসি/ শিখাইসে। এখন আস্তে আস্তে এক্সেল, "আর" প্রোগ্রামিং এসব করতেসি। তো রিসেন্ট একটা প্রজেক্ট হাতে আসল - মূল আলজেইমার বায়োমা...