পোস্টগুলি

ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

2/28/2024

 কিছু স্কলারশিপ আর ফাইন্যান্সিয়াল এইডের জন্য এপ্লাই করলাম। গতকাল মুখে মুখে চুক্তি করলাম যেই যাই পাই না কেন হাফ-হাফ শেয়ার হবে। দুইজনে একমত হলে হ্যান্ডশেক করে ডিল পাকা করলাম।             -     -     -     -     -     -     -     -     -     -     -     -     -     -     -     -     -     -     -     -     -      #স্বপ্নঃ  মুক্তিযুদ্ধ। একটা গ্রামে। একটা বাড়ি। বেড়া দেয়া দেয়াল আছে, ইটের সাদা চুনমাখা দেয়াল আছে। বন্দুক নিয়ে এট্যাক করলে কিভাবে বাচব বিভিন্নভাবেই দেখতেসি কই গিয়ে লুকাবো। নাহ মরে যাওয়া ছাড়া উপায় নাই যতই চেষ্টা করি। তারপরেও মৃত্যু পর্যন্ত চেষ্টা করতে হবে

ফ্ল্যাশব্যাকঃ

 স্পাইডার ম্যান মুভিঃ২০০২। সেনপাড়া পর্বতা মিরপুর ঢাকা। রুবী আন্টিদের বাসায় থাকি তখন আমরা- মানে, মা, আমি, ভাইয়া। বিকালবেলা হুজুর আসে আরবি পড়াতে।  সেদিন বিকালে রুবী আন্টি, দীনা, অন্তু, আমি মিলে মুভিটা দেখতেসিলাম। অন্তু আর আমি মিলে মন থেকে দোয়া করতেসিলাম "আল্লাহ আজকে যেন হুজুর না আসে"। ছুটির দিন শুক্রবার। এখন পড়তে বসতে ইচ্ছা করতেসে না।  মেঘলা আবহাওয়া। আকাশে সাদা-কালো মেঘ জমতেসে। হাল্কা ভেজা বাতাসের ঝাপটা পরে মুখে। তিনতলার জানলা দিয়ে খোলা আকাশ দেখা যায় অনেকটা। আশেপাশে এত বেশি বিল্ডিং নাই। আকাশের মেঘ যাওয়া আসা দেখি। মুভির মাঝের বিরতিতে বুকটা ধড়ফড় করতেসে এই যদি আসে হুজুর সব আশা নষ্ট হবে।  এই দৃশ্যটা হঠাত করেই পড়ে মনে- সিনেমার বিরতিতে ড্রইং রুমের পর্দার পিছনে লুকায়ে লুকায়ে দোয়া করতেসিলাম যেন আজ হুজুর না আসে, যেন রুবী আন্টি আমাদের পড়তে না পাঠায়। জানলা আর পর্দার মাঝে আমি জড়িয়ে আছি। কিছুটা অসহায়- আর মাথার মধ্যে পাওয়ারফুল স্পাইডারম্যান। হুজুর আসছিল সেদিন, রুবী আন্টিকে অন্তু কনভিন্স করসিল তাই পড়তে বসতে হয় নাই।

স্বপ্ন ও দৈনিকঃ ২/২১/২০২৪

 দৈনিকঃ আজকে দেখতেসি কিভাবে রিসার্চ আউটলাইন লিখতে হয়। সেমিনার ক্লাসের কাজ। দুইটা ইউটিউব ভিডিও দিসে আইডিয়া নেয়ার জন্য।  জিয়নের রুমে যাই ওর কাছে কি কি বই আছে ঘাটতে।  দুজনে ভাগাভাগি করে বই পড়ি। মাত্র একটা হোমওয়ার্ক- ডিসকাশন শেষ করলাম। এখন রাত প্রায় সাড়ে এগারোটা। বিকালের পরে হাঁটতে বের হইসি। ফুলহাতা টিশার্টের উপর একটা সোয়েটার চাপালাম তাতে কাজ হল না, বাইরে গিয়ে আবার ফিরতে হলো। উপরে জ্যাকেট চাপালাম। দুইজনে- না, তিনজনে- শিবুও বের হলো। জিয়ন আর আমি ঘুরতে ঘুরতে এই সপ্তাহে কি কি কাজ ডিউ আলাপ করতে লাগলাম। কিছু অরগানাইজিং এপ্স, টুলস বিষয়ক টিপস শেয়ার করলাম। Otter. speech to text app, ওয়েবসাইটেও কাজ করে। দুইজনে দুওজনকে কথা দিলাম লেখাপড়ায় মন দিব- এখনও সময় আছে ভালো হয়ে যাবো। ঘরে ফিরে দুজনে স্ট্রেচ করলাম, যোগব্যাম করলাম, প্রাণায়ম করলাম। তারপর আধাঘন্টা ধরে সেক্স করলাম-সেনসুয়াল সেক্স। সন্ধ্যা সাতটা বাজলে খাওয়া দাওয়া করে আমি কাজ নিয়ে বসলাম। ডেডলাইনের মধ্যে জমা দিসি এটাই আজকের সার্থকতা।  ভালো দিনের পরিসমাপ্তি- যদিও মেলা কাজ বাকি। খুব ব্যস্ত যাবে শুক্রবার পর্যন্ত।

স্বপ্ন ও দৈনিকঃ ২/২০/২০২৪

গত শুক্রবারে ক্যাম্পাস ট্যুর পার্টির সাথে ডেথ ভ্যালে ঘুরতে গেসিলাম। আমার ক্লাস ছিল ১২ থেকে ৩। ভুলে গেসিলাম ক্লাসে ঢুকসি সাড়ে বারো। বের হয়ে গেসি ১ঃ২০ এ।  প্রফেসর ককরানকে ইমেইল দিলাম ঘটনাটা জানায়ে আর দুঃখিত বলে।  এখন সেমিনার ক্লাসের অডিও রেকর্ড নিসি জিয়নের কাছ থেকে। আগে এটা শুনব, তারপর রিসার্চ টপিক ভাবব।  এখন কাজঃ দুইঘন্টার সেমিনারের অডিও শোনা।  দুপুরেঃ জিয়নের সাথে মারামারি করসি। বক্সিং টাইপ। এট্যাক- ডিফেন্স- এট্যাক- ডিফেন্স।  স্বপ্নঃ আজকাল শুধু পানি স্বপ্ন দেখি। উল্লেখযোগ্যঃ ১।  খুবই থিক লিকুইডে জিয়ন আমি। দাড়ায়ে থাকা যাবে না। লেফট রাইট করতে হবে। দাড়ালে প্রচন্ড গরম তাপমাত্রা। এটা একটা জেলখানার মতন বা টর্চার সেল। নতুন কাইন্ড অব টর্চার এক্সপেরিমেন্ট করতেসে।  লিকুইডের টেম্পারেচার সহনীয় যদি একপা করে করে উপরে তুলি। দুইপা দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকলে তাপমাত্রা অসহনীয় হয়ে ওঠে। একটা টাবের মতন- মিরপুর ১৩ তে জেবাদের নানুর বাসায় যেমন ছিল- চারকোণা গোসলখানা- এটাও চারকোণা। একটা দেয়ালের সাথে- দেয়ালে উপরে ছোট একটা জানালা আছে। ২। গতকালই দেখলাম- ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি- তবে ভিন্ন আর্ক...

ফেব্রুয়ারী ১৪, ২০২৪

 একসাথে থাকার জন্য সিঙ্গেল থাকার চে স্ট্রেইট ব্যাটা বেটার। স্ট্রেইট ব্যাটার চে গে ব্যাটা বেটার। গে ব্যাটার চেয়ে মেয়ে আরও বেটার।  মেয়ে পার্টনার হরমোনাল আপ ডাউন বুঝবে, সুগন্ধি  লিপস্টিক নেইলপলিশ থেকে শুরু করে স্যানিটারি ন্যাপকিন সরবরাহ করবে। পিরিয়ডের মতন স্পেশাল দিনগুলাতে কিছু স্পেশাল টেক কেয়ারের আয়োজন তোলা থাকবে। মেয়েলি গে ব্যাটারাও ভালো কম্প্যানিয়ন। সব ধরণের ন্যাগিং ভেন্টিং মন দিয়ে শুনবে এবং যথাযথ রেস্পন্স করবে। শরীর মন খারাপ হলে সামর্থমতন খাদ্য বস্ত্র সরবরাহ করবে।  আদর যত্ন নেয়ার ব্যক্তি হিসেবে সবচেয়ে নিম্নের লেভেলে স্ট্রেট ছেলেরা । পিএমএস বা এ ধরণের জরুরি প্রয়োজনের সময় রেগুলার ভিত্তিতে ইমোশনালি আনএভেইলেবল থাকবে। এতে আরও ফ্রাস্টেটেড হয়ে কান্না শুরু করলে দুইহাত দূরে দাড়ায়ে থেকে বলবে - কাদছ কেনো? না কানলেই তো কান্না থেমে যায়।  আমি সম্ভবত ডান উইথ স্ট্রেইট ম্যান। হ্যাপী ভ্যালেন্টাইন্স ডে

ফেব্রুয়ারী ১১, ২০২৪

 শিবুকে আনসি নভেম্বরে। শুরুতে ঘরেই পালতাম। এখন সে স্বাধীনভাবে আমাদের সাথে ঘুরে। ক্যাম্পিং এ যায়। ফূর্তিতে খরগোশের মতন লাফায়। আর ডাকলেই চলে আসে দৌড়ে।  রাতেও বাইরে বাইরে- রাস্তায় ঘুরে-আশপাশে, আরও কিছু হোমলেস বিড়াল তার বন্ধু আছে। প্রথমবারের মাশরুম ট্রিপে আত্মাটা বের হয়ে যেতে নিসিল। আমি যাইতে দিলাম না। এখন মনে হচ্ছে যাইতে দেয়া উচিত ছিল। আমি জানি আত্মাটা আবার ফিরে আসবে। কারণ আত্মাটাও আমি। এই শরীর আমার ঘর। মুক্তি পাইলে আমরা দিনশেষে ঘরে ফিরি।  (লিশ পরিয়ে বের হতাম গাড়ি থেকে। এসব ওর পছন্দ হল না। ঘুরতে নিয়ে গেলাম দিনের বেলা লিশ ছাড়লেও রাতের বেলা লিশ- ওর পছন্দ হইল না। বিদ্রোহ করল। তারপর ওকে আমরা ছেড়ে দিতে লাগলাম প্রতিদিন আর রাত। শুরুতে গলায় কলার পরিয়ে ট্রেকার লাগিয়ে।  এখন ট্র্যাকারও খুলে দিসি। রাতের বেলা শুধু গলায় কলার পরিয়ে দেই। )

2/6/2024

ফেব্রুয়ারি ৬, ২০২৪ finding beauty in an unforgiving world.... necessary for my own sanity

স্বপ্ন ও দৈনিকঃ ফেব্রুয়ারি ২, ২০২৪

 দৈনিকঃ গতরাতে শারীরিক ব্যায়াম করসি। আর পানি খাই নাই রাতে ঘুমের মাঝে হিসু পায় নাই। এককালীন ঘুম হইসে, ভালো ঘুম হইসে। সকাল ৮ঃ৩০ শীত চলে গেসিল, আবার আসছে পরশু। গতকাল সারাদিন রাত টিপটিপ বৃষ্টি হইসে। জিয়ন আর আমি দুইজনে এলার্ম দিয়ে ঘুম থেকে উঠসি। আজকে শুক্রবার। সকালে একটা অনলাইন সেমিনার আছে এটেন্ড করতে হবে। প্রতি শুক্রবারে সেমিনার ক্লাস থাকে ইন-পারসন- দুপুর বারোটায়। প্রফেসর ককরান বলে দিসে আজকের এই অনলাইন "ওয়েবিনার"এ জয়েন করাই আজকের ক্লাস।  প্রফেসরও তার বক্তব্য রাখবে এই  সেমিনারে। সেমিনারের বিষয়- UNLV Health Law Program - Legalizing Medical Aid in Dying। জীবনের কঠিন পর্যায়ে আছে যারা তাদের মৃত্যুর অধিকার নিয়ে।- whose life become untolerable...  to end the suffering. তিনঘণ্টার সেমিনার।  for reference: Sanjay Leela Bhansali's Guzaarish (2010) সেমিনার বলল শেষ হবে সাড়ে বারোটায়। শেষ হল আরও কিছুক্ষণ পরে। আমি এলার্জি ক্লিনিকে ফোণ দিয়ে বললাম আজকে শট নেয়া যাবে কিনা। হ্যা যাবে। খুব বার্গারের ক্ষুধা পেল ইন এন্ড আউটের- ক্রেভিং। কদিন ধরেই। সেই গত সপ্তাহের শনিবার থেকে। আজ শ...