পোস্টগুলি

জুন, ২০২৫ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

জুন ২৮, ২০২৫

মানুষ ভাবে আমি ফেমিনিস্ট আর পুরুষ অপছন্দ করি। আমিও মাঝে মাঝে তাই মনে করি- পুরুষ মানুষ পছন্দ করা বেশ কষ্টসাধ্য। কিন্তু একইসাথে আমি থাকি এক পুরুষের সাথে প্রায় দশ বছর ধরে। তাকে ভালোবাসি কারণ সে ভালোবাসার যোগ্য। তার মানে দাড়াইলো ভালোবাসা পাইতে কিছু যোগ্যতা থাকতে হয়। খুবই বেসিক জায়গা থেকে শুরু করে: এটেনটিভ থাকা, চারপাশ সম্পর্কে সচেতন থাকা, নিজের কাজ আর দায়িত্ব সম্পর্কে কনসার্ন থাকা, নিজের কাজ নিজে করার মতো দায়িত্বশীল হওয়া। নিজের কথা আর কাজে মিল রাখা। আশপাশের নারীদের প্রতি যত্নশীল হওয়া—ইত্যাদি। ইন্টেগ্রিটি। সমসাময়িক একজনের প্রেমে পরেছি বা ক্রাশ খাইসি এইসব যাই বলা যাক - মানুষটা পুরুষ। পুরুষ মানুষ সাধারণত আমার পছন্দ না ব্যাপারটা সত্যি না। পছন্দ হবার জন্য কিছু ক্রাইটেরিয়া থাকা লাগে। তাকে ভালো লাগার পেছনে যে কারণগুলো - ছিমছাম, বুদ্ধিমান, ডেঞ্জারাসলি শার্প, রসিক ( ব্রিটিশ লেভেলের, খুবই সাটল), নির্লিপ্ত আত্মবিশ্বাস, হাম্বল (নিজেকে প্রমাণে ইগো ধার করতে হয় না), লজিক্যাল, হিসাবে পাকা। বিবাহিত, কন্যাসন্তানের পিতা - যখনই পরিবারের নারীদের কথা বলে এত সুন্দর যত্ন নিয়ে বলে আমি মুগ্ধতায় আরও ডুবে যাই। তো লোক...

জুন ২৭,২০২৫

 #বাস্তব শেষবার যেই সস্তা নেশাটা করসিলাম যে - মন শরীর খুব  পোতায়ে আছে সেই থেকে - প্রায় তিন সপ্তাহ হইল। এর মাঝে প্রফেসরের ট্রান্সফারের শোক/শক - আর এই সপ্তাহ পিএমএস উইক - সব মিলায়েই খুবই পানসে স্বাদহীন যাইতেসিল দিনরাতের মধ্যে কোনো স্বাদ পাইতেসি না। গতরাতে সিলিসাইবিন খেলাম।  একটা রথিকে পরে থাকতে দেখলাম। ভাবলাম মরে গেসে। ট্রিপ শেষে এখন বুঝসি ওইটা খোলস ছিল। মলিন একটা শুষ্ক  (শুষ্ক তবে কড়কড়া না, পোতানো) লাশের মতন পরে থাকাটা গতকালের খোলস।  মরে যাইনি। নতুন জীবন পেলাম যেন। ভোরের আলো চোখ বুজে মাথা পেতে নিলাম - হাসতে হাসতে - যতখন পারা যায়- সূর্য যে কি আনন্দ! অনেকখন এক্সারসাইজ করলাম - এক্সারসাইজ বলা যায় -  শারীরিক কসরত বললে যায়। ছোটবেলা মেজোমামা-অনুমার বাসায় গেলে বরিশালের অনেক বড় নিচতলার বারান্দায়- কেউ আশেপাশে নাই আর নাই কোনো খেলার সাথী- এভাবে একা একা গ্রীল ধরে বাদর ঝুলার স্মৃতি মনে আসে প্রায়ই। শরীরটাকে আকায়ে বাকায়ে - মজা লাগত, এখনও তাই লাগে, খুব ভালো লাগে বারান্দার গ্রীলে হাত পা আটকে টানাটানি করতে  যদি একে বলে এক্সারসাইজ - আলোর বিপরীতে ঘুরে ছায়ার মধ্যে নাচতে। নিজ...

জুন ২০, ২০২৫

 #বাস্তব #স্বপ্নভঙ্গ  এবারে একটা স্কলারশিপ পেলাম , দ্বিতিয়বারের মতন আরপা স্কলারশিপ। প্রথমবার ১৫০০ ডলার পাইসি, লোভে পরে সামারের এপ্লিকেশনটা অনেক সময় দিয়ে করসি ভাবসি যদি লাইগা যায় ফুল সামার ৬০০০ ডলার স্কলারশিপ। তারপর ইমেইলটা যখন পাইলাম যে ফুল সামার স্কলারশিপ পাইসি- ঘুণাক্ষরেও ভাবি নাই এটা গিয়ে শেষমেষ সেই ১৫০০ ডলারের মামলাতেই গিয়ে দাঁড়াবে ( আবার!)। শালার ইউরোপ ঘুরার দিবাস্বপ্ন পর্যন্ত দেখে ফেলসিলাম। যাই হোক, এই ১৫০০ ডলার পেয়ে একটা সাইড করে রাখসিলাম। বিপদে-আপদে কাজে লাগবে ভেবে। আজকে আই-আর-এস (IRS) থেকে জনাবা ইশরাত জামান বরাবর ইমেইল আসল আমার একাউন্টে ভুলে যেই ১৪০০ টাকা চলে আসছিল গতবছর ২০২৪ এর ডিসেম্বরে, সেইটা ফেরত চাইসে। মুডটাই বিলা হইয়া গেল। পইপই করে জমানো টাকা! সেই IRS থেকে আসা নাম না জানা কারণের সেই ১৪০০ ডলার... মনে সুখ... দিলে শান্তি... চোখে চিকিমিকি রঙিন স্বপ্ন! হঠাত চারপাশের রঙটা এক শেড ড্যাম মনে হইতে লাগল।  আর কি হবে এমন কপাল ... টাকা উড়াবো মনের সুখে। বাড়া। 

2025

ছবি
 অর্ধ-অঙ্গজ (অঙ্গের প্লুরাল অঙ্গজ - বঙ্গের প্লুরাল বঙ্গজ। ) পড়ালেখা গবেষণা শিক্ষা ভবিষ্যত ভাগ করি। টিকটিকির মত রবো ঠায়  পাহাড়ের পরে স্প্রিং তারপর সামার ১ অবশেষে লম্বা সেমিস্টার কাটানো শেষ হইল এই সপ্তাহ অবসর।  ছবিগুলো সেমিস্টারের মধ্যে

জুন ১, ২০২৫

#ঘোর    সকালে ঘুমের মধ্যে অস্থিরতা- স্বপ্ন দেখতেসি ঘুম থেকে উঠতে হবে, ঘুম ভাংতেসে না। মিটিং আছে চারটায়। এখন যদি দুইটা বাজে? তাইলে কিছুই রেডি করা হবে না- প্রজেক্টের জন্য।  ঘুম ভাংল ১০ টায়। ঘুম ভাংলে গান মনে পরল -  জানে ও ক্যায়সা লোগ জিসি কো প্যায়ার সে প্যায়ার মিলা?  হামনে তো যাব কালিয়া মাঙ্গি কাটো কা হার মিলা... মনটা কেমন আকুপাকু করলে জনের বিছানায় গেলাম। জন ঘুমাচ্ছে। আমি পাশে শুতে বালিশটা আগায়ে দিল- হাত পা দিয়ে অক্টোপাসের মতন প্যাচায়ে ধরল। পাছাটা জনের দিকে আগায়ে দিলাম, ওর ধোনের সাথে লাগায়ে। হাতটা পেটের কাছে দিল। আমি বললাম দুদু ধর, দুদু দুদু। জন ঘুমের কাতুরে গলায় দুষ্টুমি করে হাতড়াতে লাগল - দুদু কই খুজে পাইতেসি না। আমি ধরায়ে দিলাম- এইটা ডান দুদু, এইটা বাম দুদু। জন গদগদ গলায় বলল ওমা কত বড় দুদু। বললাম- না, এটাই স্ট্যান্ডার্ড সাইজ। ও - আচ্ছা, স্ট্যান্ডার্ড সাইজ- বলে ঘুমায়ে গেল।  ঘুমাতে ঘুমাতে দুপুর ১টা। জন আগেই উঠে গেসে। আমি চোখ না মেলে জিগেস করলাম কয়টা বাজে? ১টা। আর আলসেমি না করে উঠে গেলাম- উঠতে ইচ্ছা করে না। ঘুমের মধ্যে এই উঠে যাওয়ার অস্থিরতাও আর ভালো লাগে না।...