#বাস্তব শেষবার যেই সস্তা নেশাটা করসিলাম যে - মন শরীর খুব পোতায়ে আছে সেই থেকে - প্রায় তিন সপ্তাহ হইল। এর মাঝে প্রফেসরের ট্রান্সফারের শোক/শক - আর এই সপ্তাহ পিএমএস উইক - সব মিলায়েই খুবই পানসে স্বাদহীন যাইতেসিল দিনরাতের মধ্যে কোনো স্বাদ পাইতেসি না। গতরাতে সিলিসাইবিন খেলাম। একটা রথিকে পরে থাকতে দেখলাম। ভাবলাম মরে গেসে। ট্রিপ শেষে এখন বুঝসি ওইটা খোলস ছিল। মলিন একটা শুষ্ক (শুষ্ক তবে কড়কড়া না, পোতানো) লাশের মতন পরে থাকাটা গতকালের খোলস। মরে যাইনি। নতুন জীবন পেলাম যেন। ভোরের আলো চোখ বুজে মাথা পেতে নিলাম - হাসতে হাসতে - যতখন পারা যায়- সূর্য যে কি আনন্দ! অনেকখন এক্সারসাইজ করলাম - এক্সারসাইজ বলা যায় - শারীরিক কসরত বললে যায়। ছোটবেলা মেজোমামা-অনুমার বাসায় গেলে বরিশালের অনেক বড় নিচতলার বারান্দায়- কেউ আশেপাশে নাই আর নাই কোনো খেলার সাথী- এভাবে একা একা গ্রীল ধরে বাদর ঝুলার স্মৃতি মনে আসে প্রায়ই। শরীরটাকে আকায়ে বাকায়ে - মজা লাগত, এখনও তাই লাগে, খুব ভালো লাগে বারান্দার গ্রীলে হাত পা আটকে টানাটানি করতে যদি একে বলে এক্সারসাইজ - আলোর বিপরীতে ঘুরে ছায়ার মধ্যে নাচতে। নিজ...
#ঘোর সকালে ঘুমের মধ্যে অস্থিরতা- স্বপ্ন দেখতেসি ঘুম থেকে উঠতে হবে, ঘুম ভাংতেসে না। মিটিং আছে চারটায়। এখন যদি দুইটা বাজে? তাইলে কিছুই রেডি করা হবে না- প্রজেক্টের জন্য। ঘুম ভাংল ১০ টায়। ঘুম ভাংলে গান মনে পরল - জানে ও ক্যায়সা লোগ জিসি কো প্যায়ার সে প্যায়ার মিলা? হামনে তো যাব কালিয়া মাঙ্গি কাটো কা হার মিলা... মনটা কেমন আকুপাকু করলে জনের বিছানায় গেলাম। জন ঘুমাচ্ছে। আমি পাশে শুতে বালিশটা আগায়ে দিল- হাত পা দিয়ে অক্টোপাসের মতন প্যাচায়ে ধরল। পাছাটা জনের দিকে আগায়ে দিলাম, ওর ধোনের সাথে লাগায়ে। হাতটা পেটের কাছে দিল। আমি বললাম দুদু ধর, দুদু দুদু। জন ঘুমের কাতুরে গলায় দুষ্টুমি করে হাতড়াতে লাগল - দুদু কই খুজে পাইতেসি না। আমি ধরায়ে দিলাম- এইটা ডান দুদু, এইটা বাম দুদু। জন গদগদ গলায় বলল ওমা কত বড় দুদু। বললাম- না, এটাই স্ট্যান্ডার্ড সাইজ। ও - আচ্ছা, স্ট্যান্ডার্ড সাইজ- বলে ঘুমায়ে গেল। ঘুমাতে ঘুমাতে দুপুর ১টা। জন আগেই উঠে গেসে। আমি চোখ না মেলে জিগেস করলাম কয়টা বাজে? ১টা। আর আলসেমি না করে উঠে গেলাম- উঠতে ইচ্ছা করে না। ঘুমের মধ্যে এই উঠে যাওয়ার অস্থিরতাও আর ভালো লাগে না।...
# Distorted reality বিকালে শুইলাম, ঘুমাবো। উঠসি সকালে সাড়ে আটটায়। আমার জন্য অনেক সকাল তাই বিকাল হবার আগেই চোখ ভেঙে ঘুম আসতেসে। ঘুমাবার আগে মনে হল একটা পর্ণ দেখি, ফিজিক্যাল স্যাটিস্ফেকশন নেই। তাহলে ঘুমটা ভালো হবে। জীবনে প্রথম কবে মাস্টারবেট করি? মনে করবার চেষ্টা করলাম মনে পড়ল নাহ। শুধু মনে পড়ল ছোটবেলায় , মানে যখন টিনেজে, পিরিয়ডের সময় পেরোলে একটা সময়ে আসত যখন অনেক হর্ণি ফিল করতাম আর ভোদা থেকে অনেক রস বেরোত, রসের গন্ধটা লাগত নারকেল ডাবের পানির মতন। ইচ্ছা হত কেউ আমার রসের স্বাদ নিক, আমি বাদে আর কেউ জানুক আমার রসে কেমন মধুর স্বাদ। মাস্টারবেট করে ঘুমিয়ে পরলাম। স্বপ্নের মাঝে এইসব ভোদা, ধোন, শরীলের ঘষাঘষি ইত্যাদি বোধ হইতে লাগল। তন্দ্রার মতন চোখ মেলে ভাইব্রেটরটা ( বালিশের পাশেই তখনও) নিয়ে আবার ভোদায় ঘষলাম। এরমাঝেই আবার ঘুমের ঘোরে চলে গেলাম। মনে হচ্ছে এটা কোনো সিমুলেশন, আমি একটা সিমুলেশনের অংশ। একটা ইন্টারোগেট রুম- যেমনটা মুভিতে দেখি ফাকা একটা রুমে শুধু চেয়ার আর টেবিল। আমার আশপাশে কিছু সায়েন্টিস্ট পুলিশ আমাকে অনেক জেরার মধ্য দিয়ে নিয়ে গেল, ওরা আমাকে জেরা করল যে আমি জানি য...
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন