নভেম্বর ৫, ২০২৩
নতুন একটা কিবোর্ড হাতে পেলাম। গতকাল ডিপার্ট্মেন্টের ফোটোকপির রুমে কেউ একজন রেখে দিয়ে গেসে ডোনেশন। আমি লুফে নিলাম। লগিটেক- অবশ্যই ভালো। সুন্দর কিপ্যাড। তো আজকে শুধুমাত্র কিবোর্ডটা কাজ করে কি না দেখার জন্য লিখতে বসলাম। কিপ্যাডগুলার সাথে অভ্যস্ত হতে একটু টাইম লাগবে।- আগের কিবোর্ডের থেকে স্ট্রাকচার একটু ভিন্ন। তবে টাচ আর সাউন্ড ভালো। অবশ্যই আমার আগের সস্তা স্লিম কিবোর্ডের চেয়ে ভালো। ফিলস গুড। আগেরটা প্রয়োজনের চাইতে বেশি স্লিম ছিল, ওজন কম ছিল কিন্তু টাইপ করতে গিয়ে মাঝেমাঝেই সমস্যা হত- প্যাডে চাপ পরসে কিনা সেটা বুঝে উঠাটাই সমস্যা হত মাঝেমাঝে। একই কি ডাবল চেপে ফেলতাম তো কিছু কি তে চাপ দিয়ে চলে গিয়ে দেখতাম যে চাপ পরে নাই। ভাবতেসিলাম মনে মনে -একটা কিবোর্ড দরকার কিনা। ভালো হল এটা পেয়ে। ভগবানকে ধন্যবাদ।
ঘুম থেকে উঠলাম দশটার দিকে। গতকাল জিয়নকে ইনভাইট করে আসলাম আমার সাথে ঘুমাতে আসিস। আসব না আসব না করে থার্ড টাইমে বলসে আচ্ছা। আমি নতুন একটা বই*(এটার কথা আসতেসে) পড়া শুরু করলাম শুয়ে শুয়ে। সময় সাড়ে দশটা। দুইপেজ পড়ার পরে আবার আগের বইটার কথা ভাবতেসিলাম "হিস্ট্রি অব ডিল্যুশন"। ওই বইটাও রাতে ঘুমাবার আগে শুয়ে শুয়ে পড়তাম। একদম ট্রমাটিক এক্সপেরিয়েন্স হয়ে গেসে পরে আর ধরতেসি না। ফিলস লাইক পুসি।
এসব সেসব ভাবতে ভাবতে ঘুমায়ে গেলাম। জিয়ন আরও অনেকখন পরে আসল শুইতে। ঘুমের মধ্যে অনেক হাতাহাতি করল। আমার ঘুম ভাংল, আবার ঘুমালাম, আবার হাতাহাতি ঘুম যেন গাঢ় হল গভীর হল, আনন্দ অনুভব হতে লাগল। সারা শরীরে হাত বুলাতে লাগল জিয়ন। কোমল মসৃণ নরম স্পর্শ। একসাথে ঘুমালে কত মজা লাগে। শুধু কম্বল আলাদা নিতে হয় নয়ত পাদ দিলে গন্ধে ঘুম ভেঙে যায়।
*ক্লার্ক কাউন্টি লাইব্রেরি থেকে আনসিলাম- লাইট রিডিং, মিস্ট্রি, আরও ফাংকিওয়েতে বলতে গেলে- সিসাইড ক্যাফে মিস্ট্রি। ভাইব ভাল, ইজি রিডিং, ফিল গুড রাইটিং। বইয়ের নাম live and let chai, রাটার Bree Baker.
লিখতে লিখতে মনে হল এই কিবোর্ডটার কি গুলার ডিস্ট্যান্স খুবই স্ট্যান্ডার্ড। আগের কিবোর্ডে মাঝেমাঝেই লিখতে গিয়ে কি খুঁজে টাইপ করতে হইত।
আজকে ডেলাইট সেভিংস টাইম শেষ হইসে। সময় একঘন্টা পিছাইসে। মানে দুপুর একটার সময়ে সময় হইসে দুপুর ১২ টা।
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন