এপ্রিল ২৩, ২০২৫

 #স্বপ্ন

ইউরোপ ট্যুর- জিয়ন আর আমি। মোটামুটি জিয়নই সব প্ল্যান করসে। শর্টটার্ম ট্যুর। আমি তেমন কিছুই জানি না জাস্ট ওর সাথে যাইতেসি বলা যায়।

সীন-

একটা ট্রেম/ ট্রামে। চলন্ত ট্রেন। ট্রেনটা থামল। আমি পায়ের কাছে রাখা আমার ব্যাগটা তুলে কাধে নিলাম তারপর বের হলার সেই বগি থেকে। জিয়ন আমার পেছনের বগিতে। ট্রেনটা এখানেই থেমে থাকবে বেশ কিছুখন তাই ধীরেসুস্থে নামলাম আবার পেছনের বগিতে উঠলাম। বেশ ফাকা হয়ে গেসে বগির ভিড় ইতোমধ্যে। এট এ গ্ল্যান্স দেখে নিলাম- পেলাম না জিয়নকে। ভাবতেসি ওও একইভাবে ওই বগিতে আমাকে খুজতে গেসে। তাই অস্থিরতা না করে দাঁড়িয়ে থাকলাম আরও কিছুক্ষণ। 

ট্রেনটার বগি গুলা বেশ প্রশস্ত, অনেক লোকের সমাগম। কাজে, ঘুরতে ইত্যাদি। 

জায়গাটা ইউরোপ। কোথায় এখনও ঠাওর করতে পারতেসি না, অর্থাৎ- জানি না কোথায়।

বের হলাম ট্রেন থেকে। দুইজনে মিলে রেলস্টেশন ছেড়ে বেরোলাম। এটা মূল শহর। নানা ধরণের নানান কিছিমের লোকজন। একটা মার্কেটে ঢুকলাম। অনেক সাউথ এশিয়ান মানুষজন। থ্রিপিস পরে ঘুরা মেয়ে আছে সব বয়সেরই- কচি থেকে বুড়ি। টেইলর দোকানের সামনে থ্রিপিস ঝুলতেসে, পুরাতন, ত্যানা থ্রিপিসও - রঙ জলে গেসে, কাপড় খেপে গেসে , তারপরেও এখানে হ্যাঙ্গারে দোকানের বাইরে জায়গা করে নিসে যেন এন্টিক।

মার্কেটের বাহিরে একটা ব্রীজের মতন- মানে অনেক চওড়া ব্রীজ, ব্রিজের উপরে বামে দাড়ালে ব্রিজের কিনারা দিয়ে নিচে পানি দেখা যায়। আবার ডানদিকে চওড়া চলাচলের রাস্তা- গাড়ি যায়, ওপারে মার্কেট, ব্রীজের ওইদিকের শেষ দেখা যায় না। 

রাব্বী আর সোনালি আর ওদের শিশুকন্যা একসাথে থাকে এই শহরে। রাব্বী পিক করতে আসছে আমাদের। ওদের বাচ্চাটা একইভাবে এখনও ছোট। আর সোনালী মার্কেটের বাহিরে দাড়ায়ে আরও কিছু নারীকূলের সাথে গল্প করতেসে রোদ পোহাইতে পোহাইতে। রাব্বীর সাথে আরো কিছু ভাই ব্রাদার বাঙালি। আর জিয়ন আর আমি। এই মার্কেটের ভেতরে- মানে মিরপুর ১ এর মতন মার্কেটটা। মার্কেটের বারান্দায় হাটতে হাটতে মার্কেট দেখতে দেখতে। মনে হচ্ছে এটা সাউথ এশিয়ান মার্কেট আরেকটু চেষ্টা করলে একটু চা পাওয়া যেতে পারে টং-এর দোকানসমেত।

জায়গাটা সম্ভবত প্রাগ। সামার টাইম। 

রাতে আরও থাকার ব্যবস্থা থাকবে যেমন হোস্টেল টাইপ। চিপ অপশন। সেটাও ভেবে রাখসি এসে খুজব তাই। 

কালো হিল স্যু- টা পরা ছিলাম। টিয়ার এন্ড ওয়্যারে ক্ষয়ে ক্ষয়ে গেসে।

ভাবতেসিলাম যে স্যান্ডেল প্যাক করি নাই। কেন করা নাই করা উচিত ছিল আর ভাবতেসি তাইলে কিনে নিবো এখান থেকেই।  


#বাস্তব

পড়ালেখার এত চাপ বাবা। নিজের জন্য একটু সময় বের করে একটু চিল করব, নিজের পছন্দের কাজ করব- সেটা হয়েই উঠতেসে না। 

নিজের কাজ মানে এই যে একটু স্বপ্ন দেখা, স্বপ্ন লেখা। আবার ঘরদোর রি-অরগানাইজ করা, ছবি আকা। ঘর সাজানো। রিল্যাক্স বসে একটু বই পড়া। একটু গান শুনতে শুনতে আকাশ দেখা। 

এক বেলা সময় এভাবে "নষ্ট" করলে পরের বেলা খুব প্রেসার পরে যায়, হুলুস্থুল করে আবার কাজে বসতে হয়। খুবই এক্সস্টেড লাগতেসে- সেমিস্টারের প্রায় শেষ। কনসিস্টেন্ট থাকাটাই এখন একমাত্র চ্যালেঞ্জ। এর মাঝে বায়োস্ট্যাটের কোর্সের ডিফিকাল্টি লেভেলও বেড়ে গেলে মনে হয় সব ছেড়েছুড়ে কোন এক কোঠরে ঢুকে ঝাপটি মেরে বসে থাকি সেমিস্টারের শেষ দেখা পর্যন্ত। আর পারছিনা... 

যাই হোক, আজকের জিআইএস ক্লাসটা ক্যান্সেল হল শেষ মূহুর্তে। এখন জেনারালাইজড লিনিয়ার মিক্সড মডেল পড়ব আর হোমওয়ার্ক আছে অনেক বড় লম্বা হোমওয়ার্ক। 

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

জুন ২৭,২০২৫

জুন ১, ২০২৫

স্বপ্নঃ সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৪