নভেম্বর ১৮, ২০২৫

 মুভি দেখতেসি একটা - দ্যি হাউজ দ্যাট জ্যাক বিল্ট।

সাইকোপ্যাথ সিরিয়াল কিলার আর্টিস্ট, হু থিঙ্ক হিজ কিলিংস আর আর্ট এন্ড এবসোলইউট মাস্টারপিস।


#ভালনারিলিবিটি

স্কাইওয়াক ভিউ, গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন, এরিজোনা।

ফেল্ট সো ইন্টেন্সলি। লাইক সামথিং আনফোল্ড। ফোর থাউজ্যান্ড ফিট হাইট ফ্রম গ্লাস ফ্লোর ভিউ। 


# নভেম্বর ১৮, ২০২৫

বৃষ্টির দিন আজ। নভেম্বর ১৮। ( এটা কি আমার কোনো এক্সের জন্মদিনের তারিখ?)। 

স্থান লাস ভেগাস। সারাদিন রাত বৃষ্টি চলতেসে। বিকালে গেসিলাম ওয়েটল্যান্ড পার্ক। অসাধারণ সুন্দর মেঘঘন আকাশ- হাজারটা রঙের শেড, হলুদ, কমলা, নীলেরই তো কতগুলা শেড এবং প্রত্যেকটাই এত সুন্দর! মাঝেমাঝে নীল রঙ খুব বেশি ব্যানাল মনে হয়- হয়ত নীল রঙের জামা অনেক বেশি কমন তাই। কিন্তু আজকে নীলের স্যাচুরেশন দেখে মনটা তীব্র শ্রদ্ধায় মাথা নত হয়ে এল। প্রচুর ব্রাইট কমলা (নিয়ন কমলা) মেঘ হাল্কা করে খুব হাল্কা বেগুনি বা পারপল শেড নিল - যখন সূর্যদেবতা শেষবারের মতন মহাসমারোহে বিদায় নিতেছিল। এত অবাস্তব অপার্থিব লাগতেসিল অন্য কোন পৃথিবী অন্য কোন ডাইমেনশনে চলে গেসি যেন। গাজাও খাইসি কিছুটা। প্রভু প্রতিদিনের এই মহাসমারোহ দেখে বাচতেসি এই বেচে থাকা আলহামদুলিল্লাহ ফর এভ্রিথিং অর নাথিং। আকাশটাকে গিলে খেতে ইচ্ছা করতেসিল একটা দৈত্য হয়ে গেলে একটা আস্ত মেঘ হাওয়াই মিঠাইর মত মুখে পুরে দিতাম। 


রাত এখন। বৃষ্টি অনবরত। শিবুর গার্লফ্রেন্ড কালি বৃষ্টিতে ভিজে ভিজে ঘুরতেসে। বাসার দরজা খুলে রাখলে এসে একটু খেয়ে চলে গেল আবার। জিয়ন একটা প্লাস্টিক বক্স কেটে দরজা বানিয়ে দিল। শীত বর্ষায় মা-কালীর থাকার ঘর। এত ওয়াইল্ড বন্য জংলি এটা। মানুষের সংস্পর্শ ভয় পায়। বাসায় আটকাইসিলাম একবার, কোনোভাবে পোষ মানার না। 


বারান্দায় আরও কিছু প্ল্যান্টিং এর পাত্র ছিল জিয়ন বলতেসে ফেলে দিবে। শুনে সব ঘরে এনে ধৌত করে কিছু মাটি দিয়ে একটায় কিছু বন্য ফুলের বীজ পুতে দিলাম। আমার হাতে আজ পর্যন্ত কিছু ফলে নাই আসল বিষয় কনসিস্টেন্সি- প্রতিদিন জীবিত উদ্ভিদদের হাই হ্যালো করতে হয়। প্রথম দিকে হাই হ্যালো করে পরে আর মনে থাকে না। বা মন উঠে যায়। এবার দেখা যাক যদি কিছু ফুল ধরে, শেষ পরিণতি তো সেই মৃত্যু এটা মেনে নিলে প্রায়ই এই মজার কাজটা করা যেতে পারে - বীজ বপন রোপন পানি দেয়া , গাছ গজালে খুশি হওয়া, ফুল ফুটলে আত্মহারা হওয়া তারপর ওদের মৃত্যু কামনা- এমন কিছু বিষয় নয়। 


#স্বপ্ন

ডক্টর চ্যাড ক্রসকে স্বপ্ন দেখসি। 

একদিন দেখলাম আমার মিরপুরের হারম্যান মেইনার স্কুলের ক্লাস টুয়ের সামনে বড় লাইনে দাঁড়ানো - এটা ব্যাংকের লাইন কিছু টাকা জমা বা এই ধরণের কোনো কাজে আসছে। আমি তাকে দেখে আর কোনো চিন্তা না করে দাঁড়িয়ে গেলাম তার পাশে। একটু দ্বিধা ছিল মনে- যদি জিগেস করে কেন দাঁড়িয়ে আছি , উত্তরে বলতে হবে আপনার জন্য দাঁড়িয়ে আছি, ব্যাপারটা ইন্টিমিডেটিং। সে কিছু জিজ্ঞেস করল না। অনেক গল্প করতে লাগলাম আমরা। পরে মাঠের সামনে ( যেখানে পতাকা টাঙানো থাকে আর বৃষ্টি হলে ক্লাস টুয়ের সামনের এই এরিয়ায় ড্রিল হত) নিচে বসে পরলাম সিমেন্টের উপরে/ বা মোজাইক করা হয়ত, রোদের নিচে। এক সময় সে তার বাম হাত দিয়ে আমার ডান হাতের উপর চাপ দিল- আঙ্গুলের ডগার সামনের অংশতে - প্রথম কড়াগুলা ছুয়ে। আমার বুকটা ধক করে উঠল, কোনো এক্সপ্রেশন না দেখিয়ে অপেক্ষা করতে থাকলাম সে কি জোরে ধরে থাকে নাকি কনফিউশনের জায়গা থেকে আবার হাত সরায়ে নেয়। হাত সরায়ে নেয় না, একই জোর দিয়ে ধরে থাকে- আমার হাত মেঝেতে আর আমার হাতের সামনের কড়াগুলার উপর সে হাত রাখে তার হাতের পিছনের অংশও মেঝেতে। আমার খুবই ভালো লাগে। সম্পর্কের একটা অন্য একটা গড়ন পায় যেন মনে হয়। একটা আস্থা, ভরসার জায়গা- যেখানে শ্যালো লেভেলের টানটান বা সস্তা অনুভূতির জায়গা নাই। খুবই সলিড কিছু। 

প্রফেসর চ্যাড ক্রসকে ভাবার সময় প্রায়ই রবীন্দ্রনাথ আর মৈত্রেয়ী দেবীর সম্পর্কের ধাতের কথা মাথায় আসে। মাঝেমাঝে যদি অধিকার নিয়ে তাকে ছুয়ে দিতে পারতাম। বুক থেকে একটা শান্তির দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে দিতে পারতাম। একটা স্বস্তি, একটা ভরসা। অনেকদিন চিঠি লেখা হয় না তাকে। শেষবার জানালো সে আমার চিঠি এনজয় করে, তাতেই বুকের ভেতর কবুতর উড়াউড়ি করল এত যে মাঝে মাস চলে গেল তাকে আর রিপ্লাই দেয়াও হল না। 

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

জুন ২৭,২০২৫

জুন ১, ২০২৫

স্বপ্নঃ সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৪