ডিসেম্বর ১৭, ২০২৫
#স্বপ্ন
শহরে, ঢাকার একটা উচা তলার খোলা বারান্দায় - কোনো এক পার্টি সমাবেশে - হয়ত দুএক পেগ খেয়ে অথবা একটু হাই হয়ে - বারান্দাটা খোলা। কনুই রেখে তোমার ডানপাশে দাঁড়ানো অর্থাৎ তুমি আমার বামে - কনুইটা পথ এগিয়ে যখন হাতের আঙুল হল সেই পাচ হাতের আঙুল ছড়ালে ডান গালটা হাতের উপরে ছেড়ে দিলাম ভর। খুব হাই হলে যেমন ড্রিমি লাগে তেমন ড্রিমি একটা সীন। আমি তোমার কাছ ঘেষে গল্প করতেসি - দৈনন্দিন নুন ভাতের - দৈনন্দিন কিন্তু ইন্টিমেট। এত ক্যাজুয়ালি তোমার লম্বা চুলে হাত বুলায়ে দিলাম - আজকাল মানুষের গা ঘেষে খুব দাড়াতে ইচ্ছা করে। কাছের বন্ধু এবং ইন্টিমেট। বান্ধুবীরা যেমন হয় - হাসতে হাসতে গায়ে ঢলে পরে একে অপরের। চুল আচড়ে দেয় অথবা গল্পের প্রয়োজনে টিপ্পনির সময় চিমটি কাটে। কাছের বন্ধুদেরও এরকম ইন্টিমেট হতে ইচ্ছা করে খুব - যাদেরকে ভালো লাগে। অপরিচিত বা দূরের বন্ধুর গা ঘেষার ইচ্ছা না। শেষ লাইনটা অযথা ব্যাখ্যা দেয়ার মতন মনে হইসে আমি হয়ত শুধু এইটুকুই বুঝাইতে চাইতেসি - শব্দ দিয়া - যে জিনিসটা সেক্সুয়াল না তবে নিঃসন্দেহে ইন্টিমেট। এত শব্দ ভাষা পূর্ণতা পায় না স্পর্শ ছাড়া। আমরা কবে কেন এত সভ্য সমাজ হয়ে গেলাম যেখানে ইন্টিমেসি -- হয় বইয়ের পাতার মতন শব্দ অথবা সেক্স। কেন আদর , কদর, পিঠে আলতো হাত বুলানো আর গালে চুমুর মতন এত নির্বাক কিন্তু পাওয়ারফুল টুল কেন কমিউকেশনের খেতাব পায় না? সেইসব বন্ধু যাদের এনার্জি আমি ক্রেভ করি, তাদের স্পর্শও ক্রেভ করি। এত সিম্পল এই কথা। তবে আমার স্বপ্ন থেকে দূরে সরে যাইতেসি।
স্বপ্নে, আমি তোমার লম্বা কোকড়া পিঠ ছড়ানো চুলের মধ্যে হাত বুলাইতে বুলাইতে দৈনন্দিন ভাত নুনের গল্প করতেসিলাম। সেটা দৈনন্দিন হলেও ইন্টিমেট।
#দইত
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন